পোস্টগুলি

Hurt touching story লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

স্মৃতির আঙিনায়

ছবি
                                  স্মৃতির আঙিনায়  আজ তিথির মনটা একদম ভাল নেই। আজকাল প্রায়ই মনটা খারাপ হয়ে যায়, কেন যে এমনটা হয় ? তার কোন উত্তর সে খুঁজে পায়না । জীবনের কটা উত্তরই বা খুঁজে পেয়েছে সে? না ! এখন আর সেসব নিয়ে ভাবে না। কেন জানি না, একটা দীর্ঘশ্বাস আপনা হতেই বেরিয়ে আসে । কথাগুলো ভাবতে ভাবতে আনমনে কখন যে জানালার পাশে এসে বসলো, খেয়ালই করেনি। ছুটির দিনগুলোতে এই ভাড়াবাড়ির জানালা দিয়ে একটুকরো আকাশ দেখতে বড়ো ভালোলাগে তার। এভাবেই সারাটাদিন কেটে যায়। দূরের আকাশ, গ্রীষ্মের দুপুরের নিস্তব্ধতা যেন চারপাশটাকে আরও মোহময় করে তোলে । আর এইরকম গ্রীষ্মের নিস্তব্ধতাময় দুপুরের রোদের তেজ যত বাড়তে থাকে, চারদিকে যেন এক বিরাট শূন্যতা গ্রাস করে । এক এক সময় যেন মনে হয়, কোন অসীম শূন্যতা বিরাজ করছে তার চারপাশে, কোথাও কেউ নেই । সেই সবসময় বড়ো একা মনে হয় নিজেকে। বড়ো ফাঁকা ফাঁকা লাগে, একরাশ নিঃসঙ্গতা ঘিরে ধরে তাকে। তবুও সে চাতকের মতোই বসে থাকে এক টুকরো আকাশ, দূরের ঐ মনখারাপি দুপুরের নিস্তব্ধতা দেখার জন্য । ...

আশার আলো

ছবি
                               আশার   আলো          (এই গল্পটি আমার লেখা প্রথম গল্প আর এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল চালচিত্র পত্রিকায়( e-book) ....আজ আবার গল্পটিকে আমার বন্ধুদের জন্য দিলাম এই পেজে...... আর আমার এই ছোট গল্পটিতে যদি কোন বানান ভুল হয়ে থাকে তো আমি আন্তরিক ভাবে ক্ষমা প্রার্থী) মিলি আজ এক নতুন জীবনের আশায় দেরাদুনের পথে চলেছে । দুদিন পর থেকেই তার নতুন চাকরি তে জয়েন করার কথা । ট্রেনে যেতে যেতে কত কথা মনে পড়তে লাগলো । মনে পড়তে লাগলো তার স্কুল-কলেজ জীবনের কতকথা । তার বাবা-মায়ের কথা । বাবা- মা কখনোই তার এই বাইরে চাকরি করাটাকে মন থেকে মেনেনিতে পারেননি । মিলি ছোটবেলা থেকেই গ্রামে বড়ো হলেও  ; তার মা তাকে শহরের আদব-কায়দায় তৈরী করেছিলেন । তারপর যখন সে কলকাতার কলেজে ভর্তি হল ইনজিনিয়ারিং পড়তে; তখন থেকেই সে কলকাতাকে যেন আরও বেশি করে ভাল বাসতে শুরু করেছিল । এর অবশ্য আরও একটা কারণ ছিল, যেটা সে সবায়ের অলক্ষ্যে সযত্নে লুকিয়ে রেখেছিল ।আর সেটা হল তার ভালবাসার মানুষটি...